
দেশের জনপ্রিয় সাহিত্য সংগঠন অবেলার ডাক সম্প্রতি (AI) প্রযুক্তির ব্যবহার সীমিত করার পদক্ষেপ নিয়েছে। সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক মোঃ রিসালাত মীরবহর ০১ নভেম্বর, ২০২৬ ইং তারিখ এ সংক্রান্ত বিষয়ে একটি ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা (AI) প্রযুক্তির প্রসারের ফলে পরিবেশের ওপর বিভিন্ন ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে (AI) মডেলগুলোর প্রশিক্ষণ ও (AI) ডেটা সেন্টারগুলো পরিচালনার জন্য প্রচুর পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। যার সিংহভাগ আসে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে। যা প্রচুর পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ করে। ফলে তা বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ায়। এছাড়া ডেটা সেন্টারগুলো পরিচালনা করতে গিয়ে এর সার্ভারগুলো অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। ফলে এগুলো ঠাণ্ডা রাখতে (কুলিং সিস্টেম) পদ্ধতিতে প্রতিদিন লাখ লাখ গ্যালন পানির প্রয়োজন হয়। যা পরিবেশের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।
ঝেজিয়াং ইউনিভার্সিটির প্রধান গবেষক মেং ঝাং বলেন, (AI) এর ক্ষমতা বাড়ার বিষয়টি এর পরিবেশগত প্রভাব কে উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি করছে।
অবেলার ডাক নির্বাহী পরিচালক মোঃ রিসালাত মীরবহর জানান, অবেলার ডাক এ প্রকাশিত সকল কনটেন্টগুলো (AI) প্রযুক্তির বাইরে রাখা হয়েছে। এমনকি অবেলার ডাক এ (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করে লেখা পাঠালে তা প্রকাশ করা হয় না। তবে এর আগে অবেলার ডাক এর বিভিন্ন ধরনের গ্রাফিক্স ডিজাইন করতে গিয়ে সীমিত আকারে (AI) প্রযুক্তির ব্যবহার করা হোত। পরিবেশের বিরূপ প্রভাবের কথা চিন্তা করে এখন থেকে অবেলার ডাক এর অনলাইন ফটোকার্ডের ডিজাইনগুলোতে আর (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে না।
তিনি আরও জানান, এমন কোন প্রযুক্তির ব্যবহার করা উচিত নয় যা পরিবেশের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। এতে করে একসময় মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ব্যাহত হতে পারে। তিনি পরিবেশের কথা চিন্তা করে সবাইকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা (AI) প্রযুক্তির ব্যবহার সীমিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
