Hot Widget

Type Here to Get Search Results !

Headline

Notice: To read this website in your country's language, please change the language. Contact us for advertising: +8801516332727 (What's App) Thank you.

নিবন্ধিত লেখক তালিকা

 ------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
অবেলার ডাক’। আজীবন নিবন্ধিত লেখক তালিকা
------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
০১। মোঃ সিদ্দিক মীরবহর।। তিনি ১৯৫৩ সালে ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ২নং মগড় ইউনিয়নের সুজাবাদ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আলহাজ্ব মোহাম্মদ মুজাফ্ফর আলী মীরবহর। মায়ের নাম মোসাঃ সামছুন্নাহার বেগম। তিনি বরিশাল থেকে প্রকাশিত সবার জন্য সাহিত্য ম্যাগাজিন ‘অবেলার ডাক’ একজন নিয়মিত লেখক হিসেবে দেশব্যাপী বেশ পরিচিতি লাভ করেন। তার জনপ্রিয় কবিতাগুলের মধ্যে- ঘুম পড়ানি গান, পরিণাম, সুখ পাখি,ক্ষমতা, নীতিকথা, প্রশ্ন, ওমরের শাসন বেশ উল্লেখযোগ্য। তাছাড়া ছোট বেলা থেকেই তিনি অত্যন্ত সৎ ও আদর্শবান মানুষ হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত। তিনি সবার সাথে পারস্পরিক সুসম্পর্ক বজায় রাখতে অনন্য এক মানুষ। তার আচার-আচরণ অত্যন্ত নম্র, ভদ্র ও মার্জিত। তিনি সবার উপকার করতে পছন্দ করেন। ছোট বেলা থেকেই তিনি সত্য কথা বলতেন। তিনি তার জীবনে অত্যন্ত সৎ থেকে জীবন নির্বাহ করেছেন। তিনি কখনো অন্যায়ের সাথে আপোষ করেন নি। বর্তমানে তিনি বরিশাল সদরে বসবাস করছেন। তার প্রতিটি কবিতা অত্যন্ত সুন্দর ও অর্থবহ। তিনি সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
০২। হুমায়ুন হাবিব।। ১৯৬৩ সালের ০৭ জুলাই পুরনো ঢাকার হাজারীবাগের পৈতৃক নিবাসে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম হাবিবুর রহমান ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক এবং মাতা মরহুমা রোকেয়া রহমান ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা সমিতি, হাজারীবাগ শাখার একজন সক্রিয় সংগঠক ও সফল গৃহিণী। কবি হুমায়ুন হাবিবের শৈশব, কৈশোর, তারুণ্য, যৌবন, প্রৌঢ় কাল কাটে হাজারীবাগেই। বর্তমানে এই এলাকাতেই অবসর জীবন যাপন করছেন। পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন এমপিওভূক্ত বেসরকারি মাধ্যমিক পর্যায়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক। সুদীর্ঘ ২৮ বছর সফলতার সঙ্গে শিক্ষকতা করেন এবং শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের পুরস্কার, (মেডেল, সনদ ও নগদ অর্থ) অর্জন করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের অতি প্রিয় শিক্ষক ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি সাহিত্য চর্চা করে আসছেন। তাঁর রচিত অসংখ্য ছড়া, কবিতা, গল্প দেশের প্রায় সকল জাতীয় দৈনিক পত্রিকার ছোটদের পাতায়, বড়দের সাহিত্য আসরে এবং বিভিন্ন সাহিত্য ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়। তিনি সুদীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় বাংলাদেশ বেতারের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশ গ্রহণ করেন। তাঁর প্রকাশিত যৌথ কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ৮টি এবং একক কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ৩টি। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক। সন্তানদের শিক্ষা জীবন সমাপ্তির পথে। কবির সহধর্মিণী রাজধানীর আজিমপুরের একটি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের  জ্যেষ্ঠ প্রভাষক। তিনি বরিশাল থেকে প্রকাশিত জনপ্রিয় ‘অবেলার ডাক’ সবার জন্য সাহিত্য ম্যাগাজিনের একজন নিয়মিত লেখক হিসেবে সবার কাছে অতি পরিচিত। তিনি সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী।
------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
০৩। মোঃ রিসালাত মীরবহর।। মোঃ রিসালাত মীরবহর ‘অবেলার ডাক সাহিত্য পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ১৯৮৮ সালের ১৫ জানুয়ারী, ঝালকাঠি জেলার অন্তর্গত নলছিটি উপজেলার সবুজ শ্যামলে ঘেরা রূপসী বাংলার এক অনন্য সুন্দরে ভরপুর সুজাবাদ গ্রামের কুলঘেষে বয়ে যাওয়া সুগন্ধা নদীর তীরে অবস্থিত অত্যন্ত সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবার হিসেবে পরিচিতি ‘মীরবহর’ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মোঃ সিদ্দিক মীরবহর এবং মা সৈয়দা উম্মে রুমানা। তিন ভাই বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। তার ছোট দুই বোন আছে। তিনি ২০০৪ সালে রায়াপৃুর সৈয়দ আব্দুল লতিফ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এস.এস.সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ২০০৬ সালে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধিনে বাণিজ্য বিভাগে কম্পিউটার শাখায় এইচ.এস.সি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। এরপর বরিশাল অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয় থেকে মানবিক শাখা থেকে দ্বিতীয় বিভাগে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। এছাড়া তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ে তার বেশ কয়েকটি সনদ রয়েছে। তিনি গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভলপমেন্ট এবং ডিজিটাল মাকেটিং এ একজন দক্ষ ও প্রতিভাবান মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলেন। অন্যদিকে তিনি একজন দক্ষ কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি মৎস চাষের উপরে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ছোটবেলা থেকেই তিনি লেখালেখি পছন্দ করেন। লেখালেখির পাশাপাশি বেশ কয়েকটি জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ উপস্থাপক হিসেবেও কাজ করেছেন। দেশের বিভিন্ন জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকায় তার অসংখ্য লেখা রয়েছে। তিনি কবিতা, প্রবন্ধ ও কলাম লিখে থাকেন। লেখালেখির পাশাপাশি তিনি সোস্যাল মিডিয়াতেও বেশ সরব। এছাড়া তিনি বরিশাল থেকে প্রকাশিত সবার জন্য সাহিত্য ম্যাগাজিন অবেলার ডাক এর প্রকাশক ও সম্পাদক হিসেবে দেশব্যাপী বেশ পরিচিতি লাভ করেন। তার জনপ্রিয় কবিতাগুলের মধ্যে- প্রিয় নবীজি, নদীর পাড়ে বাড়ি আমার, আমি হারিয়ে যাই, কতো ভক্ত আর স্বজন, মায়া, স্বার্থ, শিকারি বেশ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া তার প্রথম সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থের নাম হৃদয় আকাশে মেঘ।
------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
০৪। মোঃ কামরুল আহসান।। কবি কামরুল আহসান ১৯৮১ সালের ২৫ আগষ্ট বৃহত্তর বরিশাল বিভাগের ০১নং জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে জন্মগ্রহণ করে। তাঁর পিতা মরহুম এম.এ.হাসান ছিলেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকুরিজীবী এবং মাতা মরহুমা শাফিয়া হাসান ছিলেন একজন সফল গৃহিণী। কবি কামরুল আহসান তার পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। তার শৈশব ও কৈশোর নিজ গ্রামে কাটালেও পরবর্তীতে চাকরির সুবাদে রাজধানী ঢাকাতে অবস্থান করেন। ছোটবেলা থেকেই কবি কামরুল আহসান সাহিত্যপ্রেমী ছিলেন। নাটক এবং অভিনয়ের প্রতিও ছিল তার প্রবল ঝোঁক। স্কুল জীবনে তার নিজের লেখা নাটক গ্রামের বিভিন্ন উৎসবের সময় মঞ্চস্থ হত। তার রচিত অসংখ্য কবিতা দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও সাহিত্যর বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়। তিনি আমেরিকা থেকে প্রকাশিত “দেশবাণী”(মাসিক পত্রিকা) এর একজন নিয়মিত লেখক। বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিনে তার লেখা প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে অবেলার ডাক, অরুণীম (ছোট কাগজ), ডাকপিয়ন, ব্রম্মপুত্র, গুঞ্জরণ এবং আত্মপ্রকাশ (কোলকাতা) অন্যতম। তার একক কোনো কাব্যগ্রন্থ না থাকলেও বছরের উল্লেখযোগ্য সময় বইমেলা ছাড়াও বছরের অন্যান্য সময়ে বিভিন্ন যৌথ কাব্যগ্রন্থে তার লেখা প্রকাশিত হয়। যার মধ্যে কলকাতা থেকে প্রকাশিত যৌথ কাব্যগ্রন্থ “মেঘচ্ছায়া” অন্যতম। তিনি বরিশাল থেকে প্রকাশিত জনপ্রিয় “অবেলার ডাক” সাহিত্য ম্যাগাজিনের একজন নিয়মিত লেখক হিসেবে সবার কাছে পরিচিত। সকলের শুভ কামনা নিয়ে পথ চলাই তার কাম্য।
------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
০৪। সৈয়দ জুনায়েদ আবীর।। সৈয়দ জুনায়েদ ১১ ফেব্রুয়ারী, ১৯৮৯ ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট হাজরাতলায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম সৈয়দ নুরুল হক বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) এবং মাতার নাম মাহ্ফুজা খানম (বি.এ.বি.এড)। তিনি বরিশাল থেকে প্রকাশিত সবার জন্য সাহিত্য ম্যাগাজিন ‘অবেলার ডাক’ একজন নিয়মিত লেখক হিসেবে দেশব্যাপী বেশ পরিচিতি লাভ করেছেন।  ছোট বেলা থেকেই তিনি অত্যন্ত সৎ ও আদর্শবান মানুষ হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত। তিনি সবার সাথে পারস্পরিক সুসম্পর্ক বজায় রাখার ব্যাপারে তিনি অনন্য এক মানুষ। তার আচার-আচরণ অত্যন্ত নম্র, ভদ্র ও মার্জিত। বিপদ-আপদে ছুটে যাওয়ার পাশাপাশি মানুষকে নিজের সাধ্যমত তিনি সাহায্য করেন। বিগত কয়েক বছর ধরে তিনি লেখালেখির জগতে সম্পৃক্ত আছেন। তিনি বিভিন্ন পটভূমির উপর গল্প ও উপন্যাস লিখে লিখেন। এখন পর্যন্ত তার দুটি গল্পগ্রন্থ ও তিনটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। এর পাশাপাশি ‘অবেলার ডাক’ সবার জন্য সাহিত্য ম্যাগাজিন সহ বিভিন্ন সাহিত্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ম্যাগাজিন ও পত্রিকায় তিনি নিয়মিত লিখছেন।বর্তমানে তিনি ফরিদপুরে বসবাস করছেন।  তিনি সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
০৬। শামীমা বেগম।। কবি শামীমা বেগম বাংলা সাহিত্যের পাঠকপ্রিয় এক পরিচিত মুখ। তিনি সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ থানার মানিক কোনা গ্রামের এক মধ্যবিত্ত মুসলিম পরিবারে ২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার মায়ের নাম সালেহা বেগম এবং পিতার নাম আতাউর রহমান। পরিবারের সাত ভাই- বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। অনলাইন সহ বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থ ও ম্যাগাজিনে তার লেখালেখির ছড়াছড়ি। তার সাহিত্য রচনা ব্যতীক্রমধর্মী তাই অন্য কবিদের চেয়ে আলাদা এক স্থান দখল করে আছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি পৃথিবীর সবচেয়ে সম্মানজনক পেশা শিক্ষকতায় নিয়োজিত। তার কবিতায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, বিদ্রোহ, সমাজের বাস্তব চিত্র ও কুসংস্কার, স্বাধীনতার চেতনা, ভালোবাসার কথা ফুটে উঠে। তিনি একজন অস্প্রদায়িক ও প্রতিবাদী লেখক হিসেবেও পরিচিত। বর্তমানে তিনি মাস্টার্স স্নাতকোত্তর অধ্যয়নরত (এমসি কলেজ, সিলেট)। তিনি (সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ) থেকে স্নাতক পাশ করেন। ইন্টারমিডিয়েট (মানিক কোনা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ)। উচ্চ মাধ্যমিক (মানিক কোনা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ)পাড়াকালেই সাহিত্যের প্রতি বেশ মনযোগী হন। বিশেষ করে তার স্কুলের পাঠাগারটি ছিল তার সাহিত্য চর্চা অন্যতম একটি জায়গা। তাঁর প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য কিছু যৌথ কাব্যগ্রন্থ:- কবির কবিত্য, হাজার কবির হাজার কাব্য, সুনন্দ প্রহেলিকা, শতকাব্য-১, কবিতার মেলা আমরাই সেরা, হাজার কবির হাজার কবিতা, তুমি রবে নীরবে, প্রথম দেখায় ভালোবাসা, বিশ্ব বাংলায় শ্রেষ্ঠ কাব্য। একক কাব্যগ্রন্থ ‘তবুও বেঁচে আছি’ অপেক্ষমাণ উপন্যাস “খেলাঘর” প্রভৃতি। তিনি লেখালেখি করে “মৃত্যুপুরী ফিলিস্তিন” কবিতার জন্য ২০২৩ সালে কবি সুকুমার রায় সাহিত্য পুরস্কার বেশ কিছু সম্মাননা ও খ্যাতি অর্জন করেছেন। এক একটি কবিতা তার কাছে নিজের সন্তানের মতো প্রিয়। লেখালেখির মাঝেই তিনি বেঁচে থাকতে চান অন্ততকাল। তার প্রবল আগ্রহ ও ইচ্ছা বাকী জীবন সাহিত্য সাধনার সাথেই সম্পৃক্ত থাকতে চান।
------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
০৬। লুৎফুর রহমান চৌধুরী রাকিব।। সবুজ শ্যামলে ঘেরা সুদূর সিলেটের অন্যতম হবিগঞ্জ আর নবীগঞ্জের ফুলে ফলে ভরা সবুজের সমারোহে হিম শীতল গ্রাম- রাইয়াপুর, বড় বাড়ি, আলহাজ্ব মতিউর রহমান চৌধুরী ও সৈয়দা ইদুবুন্নেছা চৌধুরী দম্পতির এক মুসলীম পরিবারে জন্মেছি। এ আমার গর্ব ১০ ই মে ১৯৬৮ ইং সাল। নয়তে জয়, যদিও আজো জানিনা হয়েছে কি না, বাবা মায়ের ভাগ্যাকাশে আঁধারের আলোক রশ্মি কনিষ্ট উজ্জল তারকা লুৎফুর রহমান রাকিব, তারই মাঝে জ্বল-জ্বলে মিতালীতে ছড়ায় আলো তিনটি ধ্রুব তারা প্রিয় বোন। সবার আলোয় জ্বলছি আমি নিত্য মেঘাচ্ছন্ন মাঝ আকাশে সন্ধ্যা প্রদীপ হয়ে নিরবধি। নবীগঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নে যখন ঠিক টগবগে চঞ্চলা এক কোমল কিশোর।ঘনঘটা হইহুল্লোরে কাটে আমার কিশোর বেলা যা আজো ভুলার নয়, ফিরে পেতাম যদি সেকাল বেলা, এ মন তাই বার বার কয়। যেকাল ছিল সবার মায়া মমতায় ঘেরা চারপাশ। সেকাল জীবনের ঢের ভাবনায় ছিল না কোন সুখ, দুঃখ, বেদনা আর ক্লেশ, ছিল শুধু আনন্দের মাতম। কিশোর বেলা'র পাঠশালা কাটিয়ে এবার নবীগঞ্জ জে, কে অধ্যায়নে পদার্পণ, সকালের শিশির ভেজা তাজা ফুলের মতো জীবন আর কাঞ্চা বয়স, পাঁপড়ির ভাজে ভাজে ছড়ানো যেনো সৌন্দর্যের আবির মাখা সুগন্ধি গোলাপ। কোন রমণীর একটু হাতের স্পর্শেই যেনো লজ্জাবতির ন্যায় মলিনে লুকাবে মুখ। তবু যেনো আষাঢ়ের ঢলে ভাসা কানায় কানায় যৌবন জোয়ারে ভরা নদীর সময়ের যুবক। দু' চোখের দৃষ্টিতে ছিল জীবনের অনেক স্বপ্ন পূরণের রঙিন চশমা। একজন ডিজাইনার, নৃত্য-শিল্পী, হয়তো বা অভিনেতা, সেই সাহসিকতার দুঃস্বপ্ন গুলো যেনো স্বপ্নেই থেকে গেলো! তবু ও হাল ছাড়িনি বটে স্বাদ নিয়েছি কিছুটা যদিও সাধ্য হয়নি পুরোটা চুকিয়ে নিতে। নবীগঞ্জ অডিটোরিয়ামে নাটক, কলেজ জীবনে ভিন্ন অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন, কাঁচা হাতে সুরতি না হলেও ডিজাইন। সুন্দরের পূজারী হিসেবে তেমনই পরিধান। রেডিমেড কেন জানি অপছন্দের, যদিও ছিল তা বাহারী। শখের বসে ছোটবেলা থেকেই ছিল লেখা-লেখির অভ্যাস। পূর্ব চিন্তার স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন অসম্পূর্ণে বিচলিত নয় বলে তাকে আঁকড়ে ধরে থেমে না থেকে চলেছি নতুনত্বের সন্ধানে। মাধ্যমিক শেষে যখন পা রাখি উচ্চ মাধ্যমিকে, শুরু হয় তখন আরো এক নতুন রঙিন জীবন সূচনার অধ্যায়। সাগরের টানে যেমন নদী মিলে মোহনায়, ফুলের সৌরভে যেমন ভ্রমর ন্যায় মধু আহরনের মাতাল করা উড়ে চলা। ঠিক তেমনি হঠাৎ এক চঞ্চলা হরিণীর আঁড় চোখের চাহনিতে নিজেকে হারাই আচমকা। যেনো চলছে বেশ হাতে গোনা কত গুলো দিন মাস। যেনো সদ্য ফোটা আমার আটপৌরে হৃদ বাগানে একটি রক্তিম গোলাপ আর আমি তার মালী। প্রহর দ্বী-প্রহরে রাখি চোখে চোখে ভালোবাসার দর্পন আবিষ্টে। জানা ছিলনা সে আসবে আমার জীবনে ক্ষণিকের আগমনী বার্তা নিয়ে। হঠাৎ একদিন সব দুমড়ে মুচড়ে ভেঙ্গে কাল বৈশাখী ঝড়ের ন্যায় বিলিন হয়ে যাবে আমার অস্তিত্বের চার পাশ হতে দূর থেকে বহুদূর! ভাঙাগড়ার জীবন নিয়ে চলছি তো চলছি অবিরাম। তারই মাঝে আমার ধূষরতার জীবনে নব-উদ্যমে আসে আরেক রাজ কন্যা এবার প্রেম ভালোবাসা আর দুঃস্বপ্ন নয়, পুরো জীবনের সঙ্গী রূপে। সুদূর প্রবাস লন্ডন থেকে অর্ধ বাকি জীবনের সঙ্গিনীর বার্তা। হয়নি দেখা যদিও কেউ কারো মুখ, তবু যেনো চির চেনা। মনের অজান্তেই যেনো হলো মনের লেনাদেনা, ধুমধাম আয়োজনে হলো সব সমাধান, বুঝে নিলাম একে অপরকে। শুরু হলো এক নতুন জীবনের যুদ্ধ। হাহাকারের শূন্য জীবন ভরে গেলো আজ কানায় কানায়, পুরোনোকে ভুলতে আর বিন্দু কোন কষ্টই হলোনা। তার বেশ কিছুদিন পর ১৯৯৬ সালে অর্ধাঙ্গিনীকে সহযাত্রী করে পারি জমালাম প্রবাসে (লন্ডন)। দু-তিন মাস পর বড় ভাইয়ের টেকওয়ে- প্রথম কর্ম জীবন শুরু করি। আজো রয়ে গেছি সুখে, দুখে হাসি আনন্দে সহযোদ্ধা অর্ধাঙ্গিনী নিয়ে আমার জীবন চলার পথে। হঠাৎ ২০১৫ সালে ফেইজবুক খুলেই অনেকের লেখা চোখে পড়ায় নিজের ও একটা লোভ জমে মনে। সেখান থেকেই সামান্য দুই তিন লাইন দিয়ে লেখানী জীবন শুরু করি। খুঁজে পাই লেখনী জীবনের যত আনন্দ উল্লাস। এর পর একদিন এই সাধারণের কাঁচা হাতের লেখা একজন গুণী কবি ও গীতিকার রাজনীতিবিদ (মৃত) ইলিয়াছ উদ্দিন সাহেবের চোখ আঁড়াল করেনি, আমাকে না না ভাবে লেখার জন্য উৎসাহ দিতে দিতে এতো দূর আমার আসা। আদৌ আমার কাচা হাতের লেখা গুলো লেখা হয়ে ওঠে কি না জানিনা। তবুও মনের খোরাক মিটাতেই সাহিত্যকে ভালোবেসে আছি সকলের সাথে তাল মিলিয়ে। তার সাথে আমার প্রিয় বন্ধুগণ আত্মার আত্মীয় তাদের অনুপ্রেরণা ও উৎসাহ সর্বক্ষণ কামনা করি যেমনটা পেয়েছি অব্ধি। ভাঙা ইট,পাথর আর কংক্রিট দিয়ে যেমন হয় প্রাসাদ, তেমনই শূন্য থেকে শুরু হয় সবার জীবনের স্বপ্ন গুলো, আমিও তাই করেছি আমার জীবনের প্রতিটা অধ্যায়, সেখানে বিদ্যমান সহপাঠীদের উৎসাহ আর অনুপ্রেরনা। সেই ইট পাথরের দেওয়ালে লিখেছি কিছু জীবনের স্মৃতি রূপে।
১. ছুঁইতে পারিনা স্বপ্ন গুলো, ২. অভিমানী মেয়ে, ৩. শান্তির দর্পণ, ৪. সাঁঝের আকাশ, ৫. আগুনের শিখা।। পাঁচটি একক কাব্য গ্রন্থ। জানি না কতটুকু লিখতে পেরেছি আর পাঠকের মনে কতটুকু ভালোলাগার ধুলা দিয়ে যাবে। তবু সকলের দোয়া ভালোবাসা নিয়ে বেঁচে যেনো থাকতে পারি এটাই প্রত্যাশা বরাবরের মত। কারো জীবনের গল্প লিখে শেষ করা সম্ভব পর নয়, জীবনের গল্পটা লিখতে গেলে কি যেনো কিছু একটা সংলাপ বাকি রয়ে গেলো এমনটাই মনে হয়। তবু কিছু কথা সংক্ষেপে তুলে ধরার এ যেনো এক ব্যর্থ প্রয়াস মাত্র। ভুল ত্রুটি মার্জনীয়।
------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
০৭। মোঃ রাঈম।। আসিতেছে ................
















------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
-------------------------------------------------------------------------------------------------------------
[ প্রয়োজনে হেল্প লাইনের সহযোগীতা নিন]
[ হেল্প লাইন: +8801516332727 (Only What's App) ]

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------
✔ প্রয়োজনীয় লিংকঃ
-------------------------------------------------------------------------------------------------------------
Join Us:
Page: Obalardak
-------------------------------------------------------------------------------------------------------------
Writer & Editor। Obalardak
E-mail: obalardak@gmail.com
Barishal Sadar, Barishal, Bangladesh
Mobile: +88 01516332727 (What's App)
☛ অনুগ্রহ করে অন্যান্য সেবা পেতে ভিজিট করুন: (Click)